790-x-90

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

facebook-fake-ID-analyzer

ফেইসবুক ফেইক আইডি নিয়ে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। কিছু কিছু ফেইসবুক ফেইক আইডি নিয়ে নিজের অবস্থান সামাজিকতা চরম বিপদের দিকে এগিয়ে যায়। ফেইসবুক ফেইক আইডি কী তা খুব একটা বুঝানোর দরকার আছে বলে আমার মনে হয় না। কারন যারা ফেইসবুক ব্যবহার করেন তারা সবাই জানেন ফেইসবুকে লক্ষ লক্ষ একাউন্ট পড়ে আছে ফেইক হয়ে। কোন কোন আইডি এতই জনপ্রিয় আর এত বেশি সুন্দর করে সাজানো যে আসল আইডি না ফেইক আইডি এটা বুঝতে পারা বেশ জটিল। এসব কারনে অনেকেই বিপত্তিতে ভুগছেন কিভাবে নিজেকে  ফেইসবুক ফেইক আইডি থেকে দূরে রাখবেন? কিভাবে ফেইসবুক ফেইক আইডি চিনবেন তা নিয়ে আজকের আলোচনা। যদি কেউ ফেইক আইডি না বুঝে থাকেন তবে অবশ্যই কমেন্টে লিখে জানাবেন।

ফেইসবুক ফেইক আইডিঃ ফেইসবুক ফেইক আইডি বলতে বুঝায় ভুল বা মিথ্যা তথ্য ব্যবহার করে যদি কেউ ফেইসবুকে পেইজ বা প্রোফাইল তৈরী করে তবে তাই ফেইক আইডি। এই ফেইক আইডি শুধু ফেইসবুকে নয়, জিমেইল, ইয়াহু, স্কাইপি, ইন্টারনেট ওয়েবসাইট সহ কিছু লোকাল অফিস হিসেবেও আজকাল ফেইক আইডেন্টিটি বানায়। এর প্রধান উদ্দ্যেশ্য হচ্ছে প্রতারনা করা। অনেকেই প্রতারনা করতে গিয়ে এসব ফেইক লাইফেই পুরো জীবন কাটিয়ে দেয়। ফেইক লাইফ বহন করে অনেকেই আছেন অন্য বিশাল জনগোষ্ঠীকে প্রভাবিত করেছেন। সেটা অনেক বড় ব্যপার। আজ আমরা যে স্যোশ্যাল মিডিয়ার কথা বলছি সেটা শুধু ফেইসবুক যেখানে একটা ফেইক আইডি বানাতে লাগে কয়েক মিনিট মাত্র। খুব এক্সপার্ট হলে মিনিটেরও কম লাগে। আর এখানে দলিল দস্তাবেজ হিসেবে লাগে মাত্র একটি ইমেইল অথবা একটি ফোন নম্বর যেখানে টেক্সট মেসেজ আসে।  তাই এই ফেইসবুক আইডি ফেইক হবার সম্ভাবনা থাকে ৯৯শতাংশ। কিন্তু বাস্তবে এর পরিমান অনেক কম। অনুমান করা হয় যে এই পরিমান ৩০ শতাংশের চেয়ে কম। কারন ফেইসবুক নিজে কিছু কার্যক্রম গ্রহন করেছেন যাতে এই ফেইকদের বন্ধ করা যায়। এটা স্প্যাম কিংবা অদৃশ্য ভাইরাসের ন্যায়।

কিভাবে ফেইসবুক ফেইক আইডি চিনবেন? ইন্টারনেট আসার পর থেকে অনেক কিছুই সহজ হতে শুরু করেছিলো। ফেইসবুক চালুর অনেক পরে এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছিলো। একসময় দুই তিন বছরে যত একাউন্ট হতো এখন একদিনেই নাকি তার চেয়ে বেশি একাউন্ট হয়। এরজন্য ফেইসবুক তার ক্ষমতা বাড়িয়েছে। আসলে ফেইসবুক তার ইউজারদের সহজ আর স্বাধীনতা দিয়ে দিয়েছে। এতবড় মাপের ইউজার আর কোন সাইটেই নেই। এজন্য এখানে ফেইক আইডি থাকবেই। একে রোধ করা সম্ভব নয়। তবে ফেইসবুক ফেইক আইডি চেনার কিছু উপায় আছে। আমি নিচে সামান্য বর্ননায় সেগুলো আলোচনা করার চেষ্টা করছি। কেউ যদি বুঝতে সমস্যা মনে করেন, দয়া করে কমেন্ট করে জানাবেন। আমি অবশ্যই বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করবো।

প্রোফাইলঃ ফেইসবুকের যারা সত্যিকারের আইডেন্টিটি তারা নিজের পরিচয় লুকানোর কোন চেষ্টা করেন না। তারা নিজেকে কিঞ্চিত হলেও তুলে ধরেন। আর যিনি নিজেকে লুকিয়ে রাখেন তার সাথে মেলামেশা অবশ্যই বিপদের। তাই প্রোফাইলে যার সম্পর্কে অন্তত কিছু তথ্য নেই তাকে ফেইক হিসেবে ধরে নিন। প্রোফাইলে তার ছবি থাকা কে গুরুত্ব নিয়ে যাচাই করুন। ছবি না থাকা মানে সে ফাঁকিবাজ। তাছাড়া স্কুল কলেজ আর ঠিকানার দিকে তাকান, সে কিভাবে নিজের পরিচয় দিয়েছে তা থেকেই তাকে আসল না ফেইক সেটা ঠিক করে ফেলা যায়। facebook fake profile

ছবি পোষ্টঃ একটু ভাল করে দেখুন তার ছবি পোষ্ট করার ইতিহাস কেমন। খুব পুরনো দিনের নিজের কোন ছবি আছে কি না, অথবা পুরনো দিনের ছবির সাথে বর্তমান সময়ের ছবির কোন মিল আছে কি না। যদি থাকে তবে সে আসল আইডি হতে পারে। আর যদি প্রতিনিয়ত একেকজনের ছবি পোষ্টিং দেয় তবে সে ফেইক নিশ্চিত। ফেইসবুক ফেইক আইডি চিনতে হলে পোষ্ট হিসেবে ছবিগুলোকে যাচাই করা জরুরী।

সেলিব্রিটি আইডিঃ ফেইসবুক সেলিব্রিটি আজকাল একটা ফ্যাশন।তাই নামীদামী তারকাদের নাম ছবি ব্যবহার করে অনেকেই রাতারাতি হয়ে যাচ্ছেন তারকা। স্টার! উদাহরন হিসেবে বলা যায়, জনপ্রিয় নাট্যাভিনেতা মোশাররফ করিম এসব ইন্টারনেট ফেইসবুক এর দিকে মনোযোগী ছিলেন না। হঠাৎ তার নামে কে একজন ফেইক আইডি বানিয়ে আজেবাজে পোষ্ট করছে জানতে পেরে শেষে বিরক্তি নিয়েই একটা পেইজ বা আইডেন্টিটি খোলেন যেখানে তিনি নিজেই ম্যানেজ করেন আপডেট বা পোষ্ট। তাই তারকাদের আইডেন্টিটি দেখেই লাইক বা ফলো করবেন না। এতে দুঃখ পাবার সম্ভাবনা বেশি। কারন আপনার প্রিয় তারকার ফেইসবুক ফেইক আইডি থেকে খারাপ কিছু পেয়ে তারকাকে ভালবাসা বাদ দিয়ে গালি দিবেন এটা নিশ্চিত।

পোষ্টের কমেন্ট শেয়ার এবং রেসপন্সঃ আপনি যাকে নিয়ে যাচাই বাচাই করছেন তার টাইমলাইনে বা ওয়ালে তার নিজস্ব পোষ্টগুলো দেখুন। কমেন্ট আছে কি না, কে কমেন্ট করেছে? কী কমেন্ট করেছে? যে কমেন্ট করেছে সে ফেইক কি না। কয়েকটি পোষ্ট একই দৃষ্টিতে দেখুন। সবজায়গায় কেউ ঘনিষ্ঠ বা সম্মানসুচক কোন কমেন্ট করেছে কি না। যদি করে তবে এই ব্যক্তি আসল। আর যদি না পেয়ে থাকেন তবে আরো একটি চেক বক্সে ফিল করুন, এটি একটি ফেইসবুক ফেইক আইডি

পোষ্টের বিষয় বা কন্টেন্ট দেখুনঃ কী নিয়ে কাজ করেন এই আইডি? সে কি শুধু কোন আজে বাজে ছবিই পোষ্ট করে? নাকি শুধু লিংক দিয়ে পোষ্ট করে? যদি লিংক দেয় তবে কেমন উলটাপালটা লিংক দেয়? ফেইসবুক ফেইক আইডি বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রতারনামুলক লিংক বেশি দেয়। তাই সেদিকে নজর দিন।

বিশ্বাসযোগ্যতাঃ একনজরে আরো একবার দেখে ভাবুন একে কেন আপনি আসল আইডি মনে করবেন? বিশ্বাস করার মত কী আছে তার টাইমলাইনে? যদি কিছু হলেও ভাল লাগে আপনার তবে তাকে ফেইসবুক ফ্রেন্ড লিষ্টে রাখতে পারেন। আর যদি মনে হয়ে থাকে কিছুই নেই তাকে বিশ্বাস করার মত তাহলে তাকে ফ্রেন্ড লিষ্ট থেকে এই মুহুর্তে ছাঁটাই করুন।

এভাবেই একটি ফেইসবুক ফ্রেন্ডকে ফেইক কি না তা জানা যায়। ফেইসবুকে ফেইক আইডি চিনতে হলে নিয়মিত ফলোয়াপে রাখতে হয়। এক কথায় বাদ দেয়া অনুচিত। তবে আজেবাজেদের কথা প্রকাশ হবার আগেই বা সাথে সাথে বাদ দেয়া উচিৎ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

ভেরিফাই করুন--- *