790-x-90

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

ইন্টারনেট ব্রাউজারের কথা জানেন না এমন লোকের দেখা ইন্টারনেট জগতে পাওয়া মুশকিল। তাই ধরে নিচ্ছি পৃথিবীর প্রায় সকল ইন্টারনেট ব্যবহারকারী তাদের প্রিয় ইন্টারনেট ব্রাউজার সম্পর্কে জানেন। তবুও সাধারন কিছু তথ্য দিয়ে রাখছি। কারন তথ্য নির্ভর সাইট হচ্ছে কিভাবে ডট ইনফো। লোকাল ডিভাইসের যে সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম দ্বারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে কিংবা লোকাল/ওয়েব যে কোন ফাইল বা পেইজ দেখার নামই হচ্ছে ইন্টারনেট ব্রাউজার। একে শুধু ব্রাউজারও বলতে পারেন। যেমন ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, মজিলা ফায়ারফক্স, সাফারী, গুগল ক্রোম, অপেরা, অপেরা মিনি, ইউসি ব্রাউজার আরো অনেক। এখন পর্যন্ত পরিচিত ব্রাউজারের সংখ্যা প্রায় বিশের মত। উপরে যে নামগুলো এসেছে তার বাইরেও ভাল মানের কিছু মোবাইল ডিবাইসে এন্ড্রয়েড ব্রাউজার নামে আরেকটি ব্রাউজার আছে। যা অনেক ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে যে কোন একটি আছে আপনার প্রিয় ইন্টারনেট ব্রাউজার। আপনি তাহলে সেটি কিভাবে ব্যবহার করেন?

আজ জানাচ্ছি কিভাবে প্রিয় ইন্টারনেট ব্রাউজার নির্বাচন করবেন, এর সম্ভাব্য সকল ব্যবহারও।

এত সব ব্রাউজারের ভিড়ে আপনি কোন ব্রাউজার নির্বাচন করবেন তা কিছুটা সময় সাপেক্ষ ব্যপার। তবে মোটেও কঠিন নয়। একই ব্রাউজার যদি সারা জীবনের জন্য ইউজ করা যায় তাতেই আপনি বেশি লাভবান হবেন। আপনার দক্ষতা বাড়বে, কাজে দ্রুত গতি আসবে। এ উদ্দেশ্যেই আজ আপনাদের জানানোর চেষ্টা করছি কিভাবে প্রিয় ইন্টারনেট ব্রাউজার নির্বাচন করবেন। নিচে একে একে কিছু পয়েন্ট বা মানদন্ড দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হচ্ছে-

ব্রাউজার স্পীড বা গতিঃ সারা পৃথিবীর যত যা কিছু আছে তার সব কিছুই এখন গতির উন্নতি করার চেষ্টা করছে। গুগল সার্চ অনেক আগে কোন তথ্য উপস্থাপনের জন্য যে সময় নিত তা  আজ মাত্র সেকেন্ডে চলে এসেছে। তারা কাজ করছে একে কিভাবে মাইক্রো সেকেন্ডে নিয়ে আসা যায়। এমন আরো অনেক উদাহরন আছে। বিশ্বের সব কটি ওয়েব সাইট তাদের লোড স্পীড আরো বাড়ানোর জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। মুলত স্পীড খুবই জরুরী। আপনি স্পীডের তারতম্য বুঝতে পারার জন্য মাইক্রোসফট এজ ব্রাউজারে কিছু ব্রাউজ করুন আর গুগল ক্রোমে সেইম এড্রেস ব্রাউজ করুন। ব্যবধান নিজেই বুঝতে পারবেন। মিক্রোসফট এজ এক্ষেত্রে অনেক স্লো বা ধীর গতির। এই বিবেচনায় দেখা গেছে গুগল ক্রোম ইন্টারনেট ব্রাউজার হিসেবে প্রথম স্থানে অবস্থান করে।

মোবাইল ফোনের জন্য অপেরা মিনি এর গতি অসাধারন। আরো জানার জন্য পড়ুন-  কিভাবে অপেরা মিনি ব্রাউজার সর্বশেষ প্রযুক্তি থেকে আপনাকে বঞ্চিত করে?

 

নেভিগেশন বা মেনুঃ অপারেটিং এর জন্য নেভিগেশন বা মেনু’র গুরুত্ব অনেক। আপনি যদি কোন ব্রাউজারে অভ্যস্ত হতে চান তবে তার পরিচালনের জন্য মেনু কিংবা কী বোর্ড শর্টকাট কী এসব খুবই জরুরী। নেভিগেশনের জন্য আমি যা দেখছি মজিলা ফায়ার ফক্স ভাল অবস্থানে আছে। আপনি যাচাই করতে পারেন।

সিকিউরিটিঃ সব ব্রাউজার সিকিউরড কি না এ বিষয়ে অনেকের অনেক মত আছে। তবে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার নিয়ে নিরাপত্তা ত্রুটি অনেকেই জানেন। ফায়ারফক্স এখনো সে ঝুঁকিতে নেই বলা যায়। আর গুগল ক্রোম যেহেতু জায়ান্ট কোম্পানী দ্বারা পরিচালিত তাদের কিছুটা ট্রাস্ট করাই যায়। গুগল ইউজার ফ্রেন্ডলি। কিন্তু অন্যান্য ব্রাউজার কতটা ইউজার ফ্রেন্ডলি তা বলা মুশকিল। সাধারনত সব ব্রাউজারই কিছু না কিছু তথ্য তাদের নিজস্ব সার্ভারে জমা করে, যেমন হিস্টোরী, ইউজার পারসোনাল ইন্টারেস্ট। এসব আজকাল অনেক ওয়েবসাইটও অনুমতি নিয়ে সংগ্রহ শুরু করেছে। তাদের ব্যাবসায়িক সুবিধার জন্য। এসব ক্ষেত্রে টপ লেভেলের ব্রাউজার দ্বারা আপনার গোপন ব্যক্তিগত তথ্য যেমন ক্রেডিট কার্ড নাম্বার, পাসওয়ার্ড এসব চুরি হবার সম্ভাবনা কম। অন্যদিকে কিছু ব্রাউজারে অনেক বেশি। আমি নিজে মজিলা এবং গুগল ক্রোমে আত্মবিশ্বাসী। প্রিয় ইন্টারনেট ব্রাউজার নির্বাচনের আগে ভেবে নিন।

বিজ্ঞাপনঃ অনেক ব্রাউজারই ডিফল্টভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার করে। এতে ব্যবহারকারীর সমস্যা হয়। না বুঝে অন্য সাইটে চলে যেতে পারে কিংবা তথ্য চুরি হয়ে যেতে পারে। এজন্য এসব ব্রাউজার এড়িয়ে চলা উচিৎ। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে ইউসি ব্রাউজার। আরো অনেক ব্রাউজারই আছে যেগুলো এমন বিজ্ঞাপনের আসব বসায়।

ইউজার ইন্টারফেসঃ দেখতে যেটা সুন্দর তার ব্যবহার একটু বেশিই। আপনি যে ইন্টারনেট ব্রাউজার ব্যবহার করছেন তা দেখতে কেমন, যাচাই করুন। তারপর প্রিয় ইন্টারনেট ব্রাউজার হিসেবে নির্বাচন করুন।

তাহলে কিভাবে প্রিয় ইন্টারনেট ব্রাউজার নির্বাচন করবেন?

কিছুকাল আগেও সারা বিশ্বে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ইউজার ছিলো অনেক বেশি। কিন্তু এখন সেটা তলানীতে এসে ঠেকেছে। তার কারন তাদের ইউজার ইন্টারফেস, নেভিগেশন, আর ধীর গতির কম্পাইলিং। এখন সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হচ্ছে গুগল ক্রোম তার পরে মজিলা ফায়ারফক্স, সাফারী ব্রাউজার ও সমান তালে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে অপেরা মিনি এখনো দরিদ্র লোকালয়ে মোবাইল ফোন ডিভাইস থেকে ব্যবহৃত হয়।

এক্ষেত্রে এখনো অনেকে না জেনেই না বুঝেই ব্রাউজার নির্বাচন করছেন। সবার উচিৎ হবে একটি মাত্র ব্রাউজারে নিজেকে ফিক্সড রাখা। আর যদি ভিন্ন ভিন্ন ব্রাউজারের দক্ষতা নিতে চান তা একেবারেই খারাপ নয়। নিয়মিত ব্যবহার একটি ব্রাউজার থেকে হওয়া উচিৎ।

আপনার সুবিধার জন্য আমি আজকের সর্বশেষ ব্রাউজার ষ্ট্যাটাস ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে নিচের চিত্রে দেখানোর চেষ্টা করছি। Statecounter এর তথ্য মতে ২০০৯ সালে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের দাপট ছিলো একচেটিয়া। ২০১৭ সালে গুগল ক্রোম তার কাছাকাছি চলে এসেছে। ফায়ারফক্স দ্বিতীয় হলেও ব্যবহার অনেক কম।

 

ব্রাউজার কাউন্ট ২০১৭, প্রিয় ইন্টারনেট ব্রাউজার

Save

Save

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

ভেরিফাই করুন--- *