meyeder sathe mesha

এটা আসলেই আলোচনা করার মত বিষয় ছিল না। কারন মেয়েরা আর ছেলেরা তেমন কোন ভিন্নতা নেই এখন আর।  তবু শারিরীক আর কিছু মানষিক অমিল তো প্রকৃতি প্রদত্ত। তাই যেটুকু বিষয় নিয়ে আজো অনেক ক্ষেত্রেই আছে বিতর্ক।মেয়েরা অনেক কিছুই ছেলেদের থেকে আলাদা পারফর্ম করছে। অনেক ভাল করছে। ছেলেরা এখন আর আগের মত এক তরফা সাফল্য নিয়ে দাম্ভিকতার পরিচয় দিতে পারছে না। কিন্তু আজ আমি যা বলতে চাচ্ছি তা হল একান্তই ছেলে আর মেয়ের মধ্যে ঘটে যাওয়া প্রভেদ নিয়ে।

সাধারণত একটি মেয়ে আর একটি ছেলের মাঝে কত কি ভিন্নতা আসতে পারে। এই যেমন শারিরিক জটিলতা ইত্যাদি। কিন্তু তাই বলে কি অর্ধাংগি মেয়েদের বাদ দিয়ে দিবেন, সম্ভব নয়। মায়া আর প্রেম হয়ত আসতোই না যদি মেয়ে কূল না জন্মাত।

এই মেয়েদের সাথে চলাফেরায় হতে হয় একটু নিয়ম মাফিক। কলেজের চাত্ররা সাধারণত তেমন কিছুর ধার না ঘেঁষে সোজা এলোমেলো চলাফেরা করে মেয়েদের নিয়ে। এর পরিনাম ভোগে কিছুদিন গেলে। দু-পক্ষই ভোগে, চোখের জল, আত্মহত্যা! ইত্যাদি ইত্যাদি। অথচ কিছু সাধারন কমনসেন্স কাজে লাগালে এসব করতে হতোই না।

 

আসুন দেখি কী কী করা যেতে পারে মেয়েদের সাথে মিশবার সময়। আমি নিচে আমার নিজস্ব কিছু মত এবং ভাবনার বিবরন দিলাম,

মন বুঝতে শেখাঃ মানুষের মন বুঝতে পারাটা খুব দারুন কার্যকরি একটি পন্থা যা দিয়ে অনেক কাজ করা যায়। এর মধ্যে যার সাথে মিশে কাজ করছি গল্প করছি সে আসলে কি চায়, কেমন তার মন? এসব বুঝতে পারাটা জরুরী, এবং বুঝতে পারলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়।

রোমান্টিক কথা বলাঃ সব সময় নয় তবে মাঝে মাঝে রোমান্টিক কথা বলতে হয়। এধরনের কথা বলায় সম্পর্ক ইজি হয়। মেয়েদের সাথে মিশে যাওয়া যায়। একান্ত বন্ধু হবার জন্য বেশি করে গুছিয়ে কথা বলতে হয়।

বিশ্বাস অর্জনঃ  এটা আসলে মেয়েদের বেলায় নয় সবার বেলাতেই এই কাজটি বড় ভুমিকা নেয়। যার সাথেই মিশবেন সে যদি আপনাকে বিশ্বাস না করে তবে সব কিছু বৃথা। মেয়েদের সাথে মিশবেন যখন তখন এই বিষয়ে নো কম্প্রোমাইজ। তাহলে ভাল করবেন।

জেন্ডার বিষয়ক কথা এড়িয়ে চলাঃ জেন্ডার যেহেতু দুজনের দুই তাই একে এড়িয়ে চলতে পারেন তো ভাল হয়। তবে যদি কিছু কথা বলতেই হয় মনে রাখবেন যেন তা খারাপ কিছু মিন না করে। তাহলে ঠিকাছে।

এছাড়াও আরো অনেক ব্যাপার আছে যা আপনি মেনে চলতে পারেন। নিজে নিজেই ঠিক করতে পারেন যে কোন মেয়ের সাথে বন্ধুত্ব কিংবা মিশতে গেলে কী কী আবশ্যক। এনালাইজ করে দেখতে পারেন।