790-x-90

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

ভ্যালেন্টাইনস ডে, ভালবাসা দিবস উপভোগ

ভালবাসা দিবস তো চলেই এল। আর মাত্র একদিন বাকী। দেরি না করে তবে এবার শুরু করে দিন দিবস পালনের প্রস্তুতি। এমনিতেই আমি একবার জানিয়েছি যে কিভাবে ভালবাসা দিবস এল? অনেকেই জানেন সে কাহিনী। তাই  তবে একেআর কথা না বাড়িয়ে সোজা চলে যাই কিভাবে ভালবাসা দিবস উপভোগ করা যাবে সে বিষয়ে। ভালবাসার দুনিয়া একটু বড়ই হয়। একথা অনেকেই স্বীকার করেছেন। উপভোগের জন্য আবার টিপস কেন? হ্যাঁ, দরকার ছিলো না। কিন্তু কিছু টিপস বা সাজেশনস আছে যা না দিয়ে আমার পক্ষে বসে থাকা মুশকিল। এজন্যই দেরি না করে আপনাদের কাছে চলে এলাম। তো শুরু করি তাহলে?

ডেটিং করবেন কিভাবে? ভালবাসা দিবস উপভোগ করার আগে জেনে নিন।

ডেটিং আমাদের জীবনের একটি অবাধ্য আর প্রয়োজনীয় উপকরন যা অবজ্ঞা করা মুশকিল। আর যদি ভালবাসা দিবসে ডেটিং না ই করেন তবে সে কি উপভোগ্য হলো কিছু? সত্যিই। ডেটিং এর কোন বিকল্প নেই। অনেকেই রুম ডেট নামে এক প্রকারের ডেট আবিষ্কার করেছেন। একে সহ্য করা ঠিক নয়। ডেটিং যদি লাইফের প্রথম বার তবে তো কথাই নেই। জেনে নিতে পারেন কিভাবে প্রথম ডেটিং করবেন?   এছাড়াও ভালবসা দিবসের সব সুখ অনুভুতি নষ্ট করে দিতে পারে একটি মাত্র ভুল সিদ্ধান্তই।

আমার সাজেশন হচ্ছে, খোলা আকাশের নিচে ডেটিং এ যান। নতুন হলে কাউকে না কাউকে টাচে রাখুন। দূরে কোথাও গেলে বাসায় জানিয়ে যান। যার সাথে যাচ্ছেন তার পরিচয় বাসায় দিয়ে রাখুন। অল্প পরিচিত হলে বাসার আসেপাশে ডেটিং করুন। মজা করা জীবনের জন্য অপরিহার্য, কিন্তু জীবন রক্ষা কতখানি অপরিহার্য তা ভুলে যাবেন না।ভালবাসা দিবস উপভোগ

গিফট কিংবা শুভেচ্ছা কার্ড বিনিময় করবেন যেভাবে, ভালবাসা দিবস উপভোগ করতে লাগবে-

শুভেচ্ছা কার্ড আজকাল অনেক কম পাওয়া যায়। কিন্তু এর মানে এই নয় যে পাওয়া যায় না। একটু খুঁজলেই অনেক ভাল কিছু কার্ড পেতে পারেন। যদি না পান তবে দুঃখ পাবার কারন নেই। কিছু রঙ্গিন পেপার দিয়ে নিজেই কিছু একটা করে ফেলুন। লেখা থাকবে, রঙের খেলা থাকবে এরকম কিছু। প্রয়োজনে স্মৃতিময় কিছু কার্ডের ভিতর নিয়ে আসুন। আর যদি আপনি ফটোশপের কিছু জানেন তাহলে তো ভালই হয়। সেখান থেকে কিছু একটা করে ফেলুন। নিজের মত করে নিজের প্রিয়জনের জন্য কার্ড বানাতে পারলে একটু বেশি মজা হবে এটা নিশ্চিত।

গোলাপ আর চকোলেট দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় তো সবাই করবে। এটা এতটাই কমন ঘটনা যে আপনি শুধু এতেই আটকে থাকতে পারেন না। আরো অন্তত দু’টি আইটেম নিয়ে নিন। ভাল কোন ড্রিংকস বা কোমল পানীয় রাখতে পারেন। মেয়েরা চকোলেট খায়, আর ছেলেরা ফ্রাই কিংবা বার্গার। তাই খাবারের দিকে খেয়াল করার সময় মনে রাখুন। অথবা আপনার প্রিয়জনের পচন্দের দিকে নজর দিন। সে যদি কোন বিশেষ খাবারের প্রতি আপনাকে কখনো ইংগিত দিয়ে থাকে তবে সে খাবারের ব্যবস্থা করতে পারেন।

জামা কাপড়ের গিফটে নিজেদের যে যা পচন্দ দিতে পারেন। মনে রাখবেন, যত বেশি ক্রিয়েটিভ উপহার আপনি দিতে পারবেন তা যত কম দামীই হোক, স্মৃতিতে সেটাই গেঁথে যাবে। এর চেয়ে আনন্দ আর কী হতে পারে?

কী কী খাবার খেলে ভালবাসা দিবস উপভোগ আরো বেশি জমজমাট হতে পারে?

ভালবাসা দিবস উপভোগ করার জন্য আরো কিছু উপহার সামগ্রী নিতে পারেন। সাধ্য আর সামর্থ অনুযায়ী ডিনার কিংবা লাঞ্চ করার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। খাবার ছাড়া বাংগালীর জমে না কিছুই। তাই একটা দিন যদি পালন করবেন তাতে খাবারের মেন্যু বাদ যাবে কেন? আমার পরামর্শ হলো, বাংগালী খাবারের আয়োজন করুন। পারলে বাসায় পিকনিক গোছের কিছু করুন। আর তা না হলে বাইরে কোথাও খেতে পারেন। বাংগালী খাবারের জন্য অনেক রেষ্টুরেন্ট পাবেন। সেখানে ডিনার বা লাঞ্চ করলে একেবারে খারাপ জমবে না। ভালবাসা দিবস উপভোগ করা হবে, ডেটিং সহ নতুন স্বাদের কিছু টেষ্ট ও পাওয়া হবে।

বই মেলা ঘুরে আসতে পারেন।ভালবাসা দিবস উপভোগ করার আরেকটি উপায়।

আমাদের দেশের ভাগ্য ভাল, বই মেলা আর ভালবাসা দিবস একই সময়ের ভিতরে পড়েছে। আপনার জন্য ভালবাসা দিবস উপভোগ করার সুযোগ হয়েছে। মেলায় হারিয়ে যান, বইয়ের ভেতর। দু’জনে দু’জন এমন কিছু প্রেমের কিংবা রোমান্টিক বই উপহার দিন যেন স্মৃতিময় হয়ে থাকে সারাটি বছর। বইই একমাত্র উপকরন যা অনেক সময় লাগে পড়ে শেষ করতে। তবে প্রতিটি বইয়ে এমন কিছু কথা লিখে দিন যেন আপনার কথা মনে পড়ে বারবার। যতবার পড়তে বসবে, পাতা ওল্টাবে।

আগের কোন স্মৃতিতে হারিয়ে যান, ভালবাসা দিবস উপভোগের জন্য অনেক কার্যকরী উপায়।

হতে পারে গত বছরের কোন স্মৃতি, তাতে কি, আপনি তার উপর ভর করেই প্রিয়জনকে নিয়ে তলিয়ে যান সেই রোমান্টিক স্মৃতিতে। তাকে সারপ্রাইজ দিন সেখানে বা সেই সিচুয়েশনে নিয়ে গিয়ে। মানুষের পুরনো সুখ বার বার তাকে ঘিরে ধরে। আনন্দ দেয়। আপনি সেই সুখের সহযোগী হয়ে উঠুন। বাজিয়ে দিন সেই সুর, কত সুর বাজে কত পাখি গায় স্টাইলে।

এছাড়াও আপনি নিজের মত করে কিছু উপায় বের করে ফেলতে পারেন। যা কি না আপনার আর আপনার সংগীর নতুন বছরের ভালবাসা দিবস উপভোগ করায় অনেক প্ররনা হয়ে থাকবে।

Save

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

ভেরিফাই করুন--- *