790-x-90

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

ড্রাইভিং লাইসেন্স

বাংলাদেশে ঝামেলা ছাড়া ড্রাইভিং লাইসেন্স করা মোটেও সহজ নয়। তার কারন আমাদের জানার স্বল্পতা আর সরকারী কর্মীদের খামখেয়ালি আচরন। তবে এসব কিছুর কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। আজ আপনাদের জানানো হচ্ছে সরকারি নিয়ম সমূহ কিভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স করবেন? এর জন্য আপনি নিজেও বিআরটিএ এর ওয়েব সাইট ভিজিট করতে পারেন।ড্রাইভিং লাইসেন্সের দুইটি পর্যায় আছে। এর বিবরন আমি নিচে উল্যেখ করছি।

ড্রাইভিং লাইসেন্স এর পর্যায় সমূহঃ

  • ১। শিক্ষানবিস ড্রাইভিং লাইসেন্স
  • ২। স্মার্ট কার্ড ধারী ড্রাইভিং লাইসেন্স (অপেশাদার)
  • ৩। স্মার্ট কার্ড ধারী ড্রাইভিং লাইসেন্স (পেশাদার)

আবেদন ফর্ম ডাউনলোড করে নিতে পারেন http://brta.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে। আপনাদের সুবিধার্থে আমি নিচে লিংকগুলো দিয়ে দিয়েছি।

ক্র. বিষয় পতার সংখ্যা ডাউনলোড
১. শিক্ষানবিস ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরম ০২ এখানে ব্লিক করুন
২. স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরম
(অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স)
০৮ এখানে ক্লিক করুন 
৩. স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স ফরম
(পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স)
০৮ এখানে ক্লিক করুন 
৪. ড্রাইভিং লাইসেন্স অন্তর্ভুক্তির আবেদনপত্রের নমুনা ০১ এখানে ক্লিক করুন
৫. পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবান ফরম ০৬ এখানে ক্লিক করুন

এবার আসুন প্রক্রিয়া পদ্ধতি নিয়ে কথা বলা যাক। ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য খুব সাদামাটা প্রক্রিয়া। মূল কাজ হচ্ছে ড্রাইভিং ভালভাবে শিখতে হবে। ড্রাইভিং শিখে গেলে আর কোথাও তেমন বাধা থাকে না। তারপরেও নীয়ম আর প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলা দরকার।

ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য আবেদনের প্রক্রিয়াঃ

প্রাথমিক ভাবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য শিক্ষানবিস বা লার্নার ফরমে আবেদন করতে হয়। এক্ষেত্রে স্থায়ী ঠিকানা বর্তমান ঠিকানার প্রমানসহ যে এলাকার বা সার্কেলের অন্তর্ভুক্ত, বিআরটিএ’র আওতাধীন সার্কেল অফিসে আবেদন করতে হবে।পেশাদার এর জন্য ন্যুনতম ২০ বছর আর অপেশাদার আবেদনকারীর জন্য ন্যুনতম ১৮বছর বয়স হতে হবে। এ ক্ষেত্রে  প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবেদন করা হলে সার্কেল অফিস কর্তৃপক্ষ একটি শিক্ষানবিস ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করবে। এই লাইসেন্স দিয়ে আবেদনকারী প্রশিক্ষন গ্রহন করতে পারবেন। প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রের তালিকা নিম্নরুপ-

লার্নার বা শিক্ষানবিশ ড্রাইভিং লাইসেন্স এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন।
২। রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট।
৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ড / জন্ম সনদ/পাসপোর্ট এর সত্যায়িত ফটোকপি।
৪। নির্ধারিত ফী, ১ ক্যাটাগরি-৩৪৫/-টাকা ও ২ ক্যাটাগরি-৫১৮/-টাকা বিআরটিএ’র নির্ধারিত ব্যাংকে (ব্যাংক এর তালিকা www.brta.gov.bd –তে পাওয়া যাবে) জমাদানের রশিদ।
৫। সদ্য তোলা ০৩ কপি স্ট্যাম্প ও ০১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

দুই/তিন মাস প্রশিক্ষনের পর আবেদনকারিকে নির্ধারিত তারিখে ও নির্দিষ্ট সময়ে লিখিত, মৌখিক  ও মাঠপর্যায়ে হাতে কলমে(ব্যবহারিক) পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতে হবে। এসময় শিক্ষানবিস লাইসেন্সের মূলকপি সংগে নিয়ে আসা বাধ্যতামূলক।

লিখিত, মৌখিক আর ফিল্ডটেস্ট বা মাঠপর্যায়ের পরীক্ষার পর আবারো স্মার্ট বা ডিজিটাল ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে। উপরে দেয়া স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফরমে আবেদন করার জন্য নিম্নলিখিত কাগজপত্র বা ডকুমেন্টসমূহ দরকার হবে।

স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:
১। নির্ধারিত ফরমে আবেদন।
২। রেজিষ্টার্ড ডাক্তার কর্তৃক মেডিকেল সার্টিফিকেট।
৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ড / জন্ম সনদ/পাসপোর্ট এর সত্যায়িত ফটোকপি।
৪। নির্ধারিত ফী (পেশাদার- ১৬৮০/-টাকা ও অপেশাদার- ২৫৪২/-টাকা) বিআরটিএ’র নির্ধারিত ব্যাংকে জমাদানের রশিদ।
৫। পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য পুলিশি তদন্ত প্রতিবেদন।
৬। সদ্য তোলা ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।

এই নির্ধারিত ফরমে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফী প্রদান করে স্মার্টকার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স-এর জন্য সংশিস্নষ্ট সার্কেল অফিসে আবেদন করলে গ্রাহকের বায়োমেট্রিক্স (ডিজিটাল ছবি, ডিজিটাল স্বাক্ষর ও আঙ্গুলের ছাপ) গ্রহণপূর্বক স্মার্ট কার্ড ইস্যু করা হয়। স্মার্ট কার্ড ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রন্টিং সম্পন্ন হলে গ্রাহককে এসএমএস এর মাধ্যমে তা গ্রহণের বিষয়টি জানিয়ে দেয়া হয়। অনেকটা মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট এর আবেদন বা সংগ্রহের মত। শুধু পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে না।

পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সধারীরা মনে রাখুন- পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স তিন ধরনের হয়।

১। পেশাদার হালকাঃ বয়স ২০বছর হতে হবে। মোটোর যানের ওজন ২৫০০কেজি’র নিচে হলে।

২) পেশাদার মধ্যমঃ মোটর যানের ওজন ২৫০০কেজি থেকে ৬৫০০কেজি পর্যন্ত। ন্যুনতম বয়সঃ ২৩বছর।ড্রাইভিং লাইসেন্সের ন্যুনতম ব্যাবহার ৩বছর হতে হবে।

৩)পেশাদার ভারীঃ মোটর যানের ওজন ৬৫০০কেজির বেশি হলে, আবেদনকারির বয়স ২৬ বছর হতে হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্সের ন্যুনতম ব্যাবহার ৩বছর হতে হবে।

 

আরো জানতে প্রশ্ন করতে পারেন। বিস্তারিত জানার জন্য আপনিও ভিজিট করুন বি আর টি এ ওয়েবসাইট। ব্যাংকের তালিকাও ওয়েবসাইট থেকে পাবেন। কখনোই কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কোন লোকের সাহায্য প্রার্থনা ঠিক নয়। প্রতারনার শিকার হবার সম্ভাবননা থাকে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

ভেরিফাই করুন--- *