790-x-90

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

Save

বর্তমান বিশ্বে এখন ক্লাউড কম্পিউটিং এর প্রতিযোগীতা চলছে। যেখানে যেভাবে সম্ভব মানুষের প্রয়োজনীয়তাকে লক্ষ্য করে সবকিছু ক্লাউডলি চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। এখন যে কেউ যে কোন জায়গায় বসে যে কোন ডিভাইস ইউজ করেই যেন যে কোন কাজ করতে পারে তার চেষ্টা প্রায় সফল হয়ে যাচ্ছে। এই প্রক্রিয়াকে ক্লাউড সিস্টেম বলা হচ্ছে। অর্থাৎ আপনার লোকাল পিসির উপর নির্ভর না হয়ে আপনি যে কোন পিসি বা ডিভাইস থেকেই ফাইল বা সিস্টেমের এক্সেস নিয়ে কাজ করে ফেলতে পারছেন।

প্রশ্ন উঠতেই পারে তবে ক্লাউড কম্পিউটিং কেন কিংবা এর খরচাপাতি কেমন অথবা এর নিরাপত্তা কতটা? হ্যাঁ, এটা জরুরী যে ক্লাউড না বুঝেই ব্যবহার করা ভুল। ক্লাউড সিস্টেম হচ্ছে এমন কিছু সার্ভার যা অনেক বড় জায়গা জুড়ে আপনাকে ব্যবহারের অনুমতি দেয়। সেখানে আপনি সবরকমের কাজই করতে পারেন। এটা সার্ভিস প্রোভাইডারের উপরে নির্ভর করে কত কাজ আপনাকে তিনি করতে দিবেন। সার্ভার এর জায়গা নির্ধারন সহ সব কিছু। এক্ষেত্রে খরচ অনেক ধরনের হয়। সব কিছু নির্ভর করে আপনার নিজস্ব ব্যাবহারিক চাহিদার উপর। তবে কিছু ফ্রি সার্ভিসও আছে যার মাধ্যমে ক্লাউড সিস্টেম চর্চা করা যেতে পারে। ক্লাউড ফাইল সংরক্ষন একটি সহজ প্রক্রিয়ার নাম। এই পদ্ধতিতে অনেক ফ্রি সার্ভিস প্রোভাইডার আপনাকে ২গিগাবাইট স্পেস থেকে ১৮গিগাবাইট স্পেস পর্যন্ত ব্যাবহার করতে দিতে পারে। তবে সিকিউরিটির দরকার হলে এই ফ্রি সার্ভিস না নেয়াই উত্তম। এক্ষেত্রে পেইড সার্ভিস অনেকটা নির্ভরযোগ্য। কারন সার্ভারে সিকিউরিটি দিতে প্রোভাইডারেরা অনেক খরচ করে। গুগল, ড্রপবক্স, মাইক্রোসফট এসব কোম্পানীকে ট্রাষ্ট না করতে পারলে আর বাকী থাকে না কিছুই। এরা সহ প্রায় কয়েকশো বড় কোম্পানী এখন এই ক্লাউড কম্পিউটিং নিয়ে কাজ করছে। সবাই একে অন্যের প্রতিযোগী।

কী কী করবেন বা করতে পারবেন?

আপনার বাসায় বা অফিসে যে কম্পিউটারটি আছে তা দিয়ে যত কিছু না করতে পারেন তার চেয়ে কয়েকগুন বেশী করতে পারবেন আপনি ক্লাউড কম্পিউটিং এ। শুধু আপনার দরকার হবে একটি প্ল্যান যে আপনি কী করতে চান। ক্লাউড সার্ভার ভাড়া নিয়ে অনেকেই নিজেদের কোম্পানীর জন্য তথ্য শেয়ারিং এর ব্যাবস্থা করে থাকে। তবে ইন্টারনেট কানেকশন দুর্বল হলে আপনি সুযোগ সুবিধা অনেক কম পাবেন। তাই ক্লাউডলি ফাইল সংরক্ষন আর শেয়ারিং একটা বৈপ্লবিক ব্যাপার। অফিসের সবাই খুব সহজে এর নিয়ন্ত্রন নিতে পারে কিংবা লিঙ্ক শেয়ারিং এর মাধ্যমে অনেক দ্রুত আপডেট দেয়া যেতে পারে। ক্লাউড সার্ভার থেকে ফাইল/ডাটা হারিয়ে যাবার সম্ভাবনা খুবই কম। এই বিষয়ে সার্ভিস প্রোভাইডারেরা অনেক বেশি সতর্ক। তাই ক্লাউড ফাইল সংরক্ষন এত বেশি ব্যবহার হয়।

কোথায় সার্ভিস পাবেন? কোন সার্ভিস গ্রহন করবেন?

গুগল ড্রাইভ হচ্ছে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। গুগলের কাউড সার্ভার অনেক বেশি দ্রুত। এজন্য গুগল ড্রাইভে ফাইল আপলোড করলেই পাচ্ছেন অফুরন্ত স্পীড এ ফাইল আদান প্রদান আর সংরক্ষণ এর সুবিধা। গুগলের এই সার্ভিস সম্পূর্ণ ফ্রী কিংবা পেইড দুই অপশনেই নিতে পারেন। জিমেইল এপস নিলেও সাথে থাকছে ক্লাউড কম্পুটিং এর সুযোগসহ গুগল ড্রাইভ। এখন সাধারণত ১৫জিবি জায়গা সহ গুগলের এই সুবিধা ভো করতে পারেন।

ড্রপবক্স হচ্ছে আরো একটি দারুন সার্ভিস যা আপনাকে দিচ্ছে প্রথমেই ২জিবি ট্রায়াল। তবে আপনি চাইলে রেফারেল একাউন্ট ম্যানেজ করে আরো বেশি জায়গা প্রায় ১৮ জিবি পর্যন্ত ফ্রী ইউজ করতে পারেন। প্রথমেই যদি ৫০০এমবি ফ্রী সহ একাউন্ট করতে চান তবে আমার রেফারেল লিংক ইউজ করে দেখতে পারেন।

ওয়ান ড্রাইভ হচ্ছে মাইক্রোসফটের একটি সুবিধা। আমি ব্যক্তিগতভাবে মাইক্রোসফটের ফ্রী সুবিধা এড়িয়ে চলি। কারন এটি বেশি দিন ফ্রী সুবিধা দেয় না। প্রথমেই অনেক বেশি দিয়ে দেয়। কিন্তু পরে তুলে নেয়। এ পর্যন্ত দু’টি ফ্রী সার্ভিস নিয়ে আমি আছি বিপাকে। তাই কেউ সাময়িক যদি ইউজ করতে চান তবে ওয়ান ড্রাইভ ট্রাই দিতে পারেন।

কপি ডট কম এ প্রথমেই ১৯ জিবি ফ্রী জায়গা নিয়ে শুরু করতে পারেন। এখানে সুবিধা কিছুটা কম হলেও জায়গা বেশি। শুধু ডাটা সংরক্ষনের জন্য চমৎকার একটি সুবিধা।

এছাড়াও আপনি গুগল সার্চ করে এরকম আরো অনেক সুবিধা ফ্রী তে নিতে পারেন। যদি কোন গুরুত্বপুর্ন তথ্য আপনি ক্লাউড সার্ভারে রাখতে চান তবে ফ্রী সুবিধা বাদ দিন। পেইড সার্ভিস নিন। পেইড সার্ভিসের মত সুবিধা আর কোথাও ফ্রীতে পাবেন না। এজন্য নিরাপদ আর বিশ্বস্ততার সাথে আপনার তথ্য ক্লাউডলি আদানপ্রদান করুন। সহজে ফাইল শেয়ার করুন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

ভেরিফাই করুন--- *